প্রকাশ : ২১ আগস্ট ২০২৬, ১৩:১৮
মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হওয়া ভারতের জন্য ভালো নাকি খারাপ খবর

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন পদত্যাগের পর বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কে হবেন সেটির দিকে নজর রেখেছে ভারত ও ভারতীয় সংবাদমাধ্যম।
মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হওয়া নিয়ে প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস লিখেছে, তার রাষ্ট্রপতি হওয়ার বিষয়টি সাবেক স্বৈরাচার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য ভালো খবর নয়। যিনি ডিসেম্বরে আবার দেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন, যিনি হাসিনার আমলে দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি রাজনৈতিক উত্থানপতনের মধ্যে নিজের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই গত মাসে পদত্যাগ করেন। যার অর্থ হাসিনা তার এক বিশ্বস্ত মিত্রকে হারান।
অপরদিকে নতুন রাষ্ট্রপতি হওয়া মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যিনি বিএনপির মহাসচিব ছিলেন তিনি হাসিনার ১৫ বছরের শাসনের বিরুদ্ধে বিএনপিকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। হাসিনা ২০২৪ সালের আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। তার বিরুদ্ধে স্বৈরশাসন এবং সরকারি চাকরিতে বৈষম্যের অভিযোগে আন্দোলন হয়। গণঅভ্যুত্থানের পর তার দলকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখা হয়েছে।
হিন্দুস্তান টাইমস ভারত সম্পর্কে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের অবস্থান নিয়ে লিখেছে—
মির্জা ফখরুল পূর্বে ভারতের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছিলেন। তিনি একবার দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে ভারতকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রকে শ্রদ্ধা জানাতেও বলেছিলেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে লন্ডনে বিএনপির একটি জনসভায় মির্জা ফখরুল ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশের অ্যাসিসটেন্ট হাইকমিশনারের ওপর হামলা ও অন্যান্য মিশনের বাইরে ভারতীয়দের বিক্ষোভ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
এছাড়া হাসিনাকে ভারত সমর্থন করে এমন অভিযোগও করেছেন তিনি।
এছাড়া গঙ্গা চুক্তি যেটি চলতি বছরই শেষ হয়ে যাবে সেটি নিয়েও মির্জা ফখরুলের অবস্থানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে। এতে বলা হয়েছে, মির্জা ফখরুল বলেছেন, এই চুক্তির ওপর বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নির্ভর করবে। তাই ভারত সরকার যেন বাংলাদেশের প্রয়োজন অনুযায়ী এ চুক্তি কার্যকর করে।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস







