প্রকাশ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১৪:৫৬
চাঁদাবাজদের সম্মানী পেশায় ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা জামায়াত আমিরের

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, চাঁদাবাজ, তুমি ভয় পেও না। তোমার হাতেও আমরা সম্মানের কাজ তুলে দেবো। সমাজে তোমাকে আর মুখ ঢেকে চলতে হবে না। কেউ তোমার মা-বাবাকে চাঁদাবাজের মা-বাবা বলবে না, স্ত্রীকে কেউ চাঁদাবাজের স্ত্রী বলবে না। সম্মানের সঙ্গে সমাজে বসবাস করতে পারবে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, কৃষকদের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ার দুটি প্রধান কারণ হলো মধ্যস্বত্বভোগী এবং ঘাটে ঘাটে চাঁদাবাজি। “আমরা সব চাঁদাবাজ নির্মূল করবো।
তিনি আরও বলেন, উত্তরবঙ্গের নদীগুলো এখন মরুভূমির মতো কঙ্কাল হয়ে গেছে। নদীর জীবন ফিরে এলে নর্থবেঙ্গলের জীবনও ফিরে আসবে। সরকার গঠন করলে তিস্তা মহাপরিকল্পনার পাশাপাশি নদীগুলোকে জীবন্ত করার মহাপরিকল্পনা নেওয়া হবে।
জামায়াত আমির বলেন, বাংলাদেশে আমরা আধিপত্যবাদের ছায়া দেখতে চাই না। বিশ্বের সব সভ্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্ক চাই। কারও ওপর খবরদারি করতে চাই না এবং কেউ এসে বাংলাদেশের ওপর খবরদারি করুক তাও দেখতে চাই না। ৫৪ বছরের শাসন ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার ফ্যাসিবাদ আমরা আর চাই না, আমরা চাই আমূল পরিবর্তন।
ডা. শফিকুর রহমান গণভোটে হ্যাঁ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আগামী ১২ তারিখ একসঙ্গে গণভোট ও সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। গণভোট সফল হলে সাধারণ নির্বাচনও সফল হবে। তাই গণভোটের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ বলা আবশ্যক। জুলাই শহীদদের প্রতি সম্মান দেখাতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিতে হবে।
উত্তরবঙ্গকে কৃষিভিত্তিক উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার অঙ্গীকারও করেন তিনি। তিনি বলেন, উত্তরবঙ্গে একাধিক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রয়োজন, যেখানে গাইবান্ধা অগ্রাধিকার পাবে। এছাড়া, কৃষিপণ্য প্রসেসিং ও রপ্তানিযোগ্য করার লক্ষ্যে এখানে কৃষিভিত্তিক ইপিজেড স্থাপন করা হবে।
সমাবেশের শেষে জামায়াত আমির গাইবান্ধার পাঁচটি আসনে দলীয় প্রার্থীদের হাতে দলীয় প্রতীক তুলে দেন।







