বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬  |  

প্রকাশ : ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১৫:৫৮

ঈদে মিলাদুন্নবীতে ঢাকায় বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস

ঈদে মিলাদুন্নবীতে ঢাকায় বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস
অনলাইন ডেস্ক

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ও ১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আঞ্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীয়ার উদ্যোগে এ জশনে জুলুসের আয়োজন করা হয়।

সংগঠনটির সভাপতি শাহসূফী ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী মাইজভাণ্ডারীর নেতৃত্বে আয়োজিত শোভাযাত্রায় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা হাজারো ধর্মপ্রাণ মানুষ অংশ নেন। সাদা পোশাক ও টুপি পরা অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল কালেমা খচিত পতাকা, প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন ও জাতীয় পতাকা।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পশ্চিম গেট থেকে জশনে জুলুস শুরু হয়ে দোয়েল চত্বর, শিক্ষা ভবন ও সচিবালয় সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় ‘নারায়ে তাকবীর’ ও ‘নারায়ে রিসালাত’সহ বিভিন্ন ধর্মীয় স্লোগান দেওয়া হয়।

পরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হয় আন্তর্জাতিক শান্তি মহাসমাবেশ। এতে শাহসূফী ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী বলেন, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) সমগ্র মানবজাতির জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত। তাঁর শিক্ষা ও আদর্শ অনুসরণ করলেই সমাজে ন্যায়, মানবিকতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব।

তিনি বলেন, মহানবী (সা.) মানুষকে সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ব, ভালোবাসা ও মানবিকতার শিক্ষা দিয়েছেন। বর্তমান বিশ্বে যুদ্ধ, সংঘাত ও অস্থিরতার মধ্যে তাঁর আদর্শ ব্যক্তি ও সামাজিক জীবনে বাস্তবায়ন করা জরুরি।

বক্তারা বলেন, ঈদে মিলাদুন্নবীর তাৎপর্য শুধু আনুষ্ঠানিক উদযাপনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ অনুসরণ করে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজে ন্যায়বিচার, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্যায়ের আলেম, শিক্ষাবিদ ও সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। নারী অংশগ্রহণকারীদের উপস্থিতিও ছিল উল্লেখযোগ্য।

মহাসমাবেশ শেষে দেশ, জাতি, শান্তি ও মানবতার কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের বর্তমান ইমাম শাহ সুফি ড. শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়