প্রকাশ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১৫:৩২
যুক্তরাষ্ট্রকে শুল্ক কমানোর প্রস্তাব বাংলাদেশের

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো এবং পারস্পরিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে শুল্ক কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএসটিআর) রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ারের সঙ্গে সাক্ষাতে এ প্রস্তাব দেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান। বৃহস্পতিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত ওই সাক্ষাতে ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাসে সাম্প্রতিক অগ্রগতির বিষয়টি তুলে ধরেন।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক বার্তায় বিষয়টি জানিয়েছে।
ড. খলিলুর রহমান বলেন, পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তির আনুষ্ঠানিক বাস্তবায়নের আগেই বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়েছে, যার ফলে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে। একই সঙ্গে চুক্তির বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সাক্ষাৎকালে ড. খলিলুর রহমান বর্তমান ২০ শতাংশ পারস্পরিক শুল্ক কমানোর প্রস্তাব দেন। এ ছাড়া মার্কিন কাঁচামাল ব্যবহার করে উৎপাদিত পোশাকের ওপর শুল্ক কমানো বা পুরোপুরি প্রত্যাহারের বিষয়েও প্রস্তাব দেন তিনি। রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ার এসব প্রস্তাব ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস দেন।
এর আগে ড. খলিলুর রহমান ইউএসটিআরের সহকারী ব্রেন্ডন লিঞ্চের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন। উভয় বৈঠকেই দুই দেশ দ্রুত সময়ের মধ্যে পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি চূড়ান্ত ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অমীমাংসিত বিষয়গুলো সমাধানে একমত পোষণ করে।
ড. খলিলুর রহমান বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বাড়লে আগামী দিনে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। সম্প্রতি মার্কিন ভিসা বন্ডে বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রেক্ষাপটে তিনি বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের ভ্রমণ সহজ করতে রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ারের সদিচ্ছা কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।
এ সময় বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের জন্য ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স করপোরেশন (ডিএফসি) তহবিল নিশ্চিত করার অনুরোধ জানালে রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ার এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
সাক্ষাৎকালে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।







