সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬  |  

প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:৫৭

শেখ হাসিনার আর আপিলের সুযোগ নেই: চিফ প্রসিকিউটর

শেখ হাসিনার আর আপিলের সুযোগ নেই: চিফ প্রসিকিউটর
অনলাইন ডেস্ক

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে নির্ধারিত ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে পরে আর আপিলের সুযোগ থাকে না বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, আইন সবার জন্য সমান—পলাতক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ হোক কিংবা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলে আপিলের সুযোগ থাকবে না।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনকক্ষে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর।

আমিনুল ইসলাম বলেন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন দেশের বাইরে ছিলেন এবং আপিলও করেননি। আইনের ২১-এর ৩-এ ধারায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে আপিল না করলে তা আর গ্রহণযোগ্য হবে না।

তিনি বলেন, ‘‘পলাতক কিংবা কারাগারে থাকা—যেই হোক না কেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। অর্থাৎ সেটা শেখ হাসিনার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, মাওলানা আবুল কালাম আজাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।’’

চিফ প্রসিকিউটর জানান, কিছুদিন আগে আপিল বিভাগে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের মামলা নিয়ে শুনানি হয়েছিল। সেখানে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট আইন তুলে ধরা হয়। তবে আজাদের আপিল এখনো আপিল বিভাগ গ্রহণ করেননি। ফলে এ বিষয়ে আপিল বিভাগে বর্তমানে কোনো বিচারিক কার্যক্রমও চলমান নেই।

তিনি বলেন, সম্ভবত আবুল কালাম আজাদের আইনজীবীরাও বিষয়টি আইনগতভাবে উপলব্ধি করতে পেরেছেন। এ কারণেই তারা আর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেননি।

রায় কার্যকরের বিষয়ে আমিনুল ইসলাম বলেন, ট্রাইব্যুনালের রায়ের পর ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না হলে অন্য কোনো ফোরামেও আইনগত প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ থাকে না। ফলে ৩০ দিনের সময়সীমা অতিক্রান্ত হলে রায় বাস্তবায়ন করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই বলে তিনি মনে করেন।

তবে সরকার চাইলে যেকোনো সাজা স্থগিত করতে পারে বলেও জানান চিফ প্রসিকিউটর। তিনি বলেন, সাজা স্থগিত করা সরকারের অন্তর্নিহিত বা সহজাত ক্ষমতার মধ্যে পড়ে। সরকার চাইলে কারও ক্ষেত্রে এ ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে, আবার নাও করতে পারে।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়